RSS

Monthly Archives: সেপ্টেম্বর 2012

প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপূজা করবেন কিভাবে?

মা লক্ষ্মী

বাংলার ঘরে ঘরে বৃহস্পতিবার হল সাপ্তাহিক লক্ষ্মী আরাধনার দিন। বাংলায় বৃহস্পতিবারকে বলা হয় লক্ষ্মীবার। এই দিন লক্ষ্মীপূজা করলে হৃদয়ে ও গৃহে চঞ্চলা লক্ষ্মী হন অচলা। কিন্তু আজকের কর্মব্যস্ত জীবনে শুদ্ধ আচারে অথচ সহজে লক্ষ্মীপূজা করবেন কিভাবে?

ফর্দ

বৃহস্পতিবারের লক্ষ্মীপূজার উপকরণ অতীব সামান্য। যেগুলি লাগে সেগুলি হল—সিঁদুর, ঘট ১টি, ধান সামান্য, মাটি সামান্য, আমপল্লব ১টি, ফুল ১টি, দুর্বা সামান্য, তুলসীপাতা ২টি, ফুল, কাঁঠালি কলা বা হরীতকী ১টি, চন্দন, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য, সামান্য আতপচাল ও জল। কোনো দ্রব্য সংগ্রহ করতে না পারলে, পূজার শেষে সেই দ্রব্যটির কথা মা লক্ষ্মীর কাছে উল্লেখ করে ক্ষমা চেয়ে নিলেই হবে।

কালীঘাটের পটচিত্রে লক্ষ্মীর এক বিরল মূর্তি।

লক্ষ্মী-পরিচয়

যে দেবতার পূজা করেন, সেই দেবতার পরিচয় আগে জেনে নিতে হয়। লক্ষ্মীকে আমরা টাকাপয়সার দেবী ভাবি, আসলে লক্ষ্মীর পরিচয় শুধু ওইটুকুতেই নয়। লক্ষ্মী শুধু ধনই দেন না, তিনি জ্ঞান ও সচ্চরিত্রও দান করেন। এককথায় লক্ষ্মীপূজা করলে, মানুষ সার্বিকভাবে সুন্দর ও চরিত্রবান হয়। স্বামী প্রমেয়ানন্দ বলেছেন, ‘কেবল টাকাকড়িই ধন নয়। চরিত্রধন মানুষের মহাধন। যার টাকাকড়ি নেই সে যেমন লক্ষ্মীহীন, যার চরিত্রধন নেই সে তেমনি লক্ষ্মীছাড়া। যাঁরা সাধক তাঁরা লক্ষ্মীর আরাধনা করেন মুক্তিধন লাভের জন্য।’ লক্ষ্মীর বাহন পেঁচা কেন? কেউ কেউ বলেন, এটি বিষ্ণুর বাহন গরুড়ের পরিবর্তিত রূপ। মা লক্ষ্মী আসলে তাঁর স্বামীর বাহনটিই ব্যবহার করেন। কিন্তু এই রূপ পেঁচার কেন? লক্ষ্মীর দেওয়া ধন যারা অপব্যবহার করে, তাদের কপালে লেখা আছে যমের দণ্ড—এই কথা ঘোষণা করে লক্ষ্মীর বাহন। তাই কথায় বলে, ‘লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু’। তাছাড়া ধনসম্পত্তি, সে টাকাকড়ি হোক বা সাধনধনই হোক, সদাজাগ্রত অবস্থায় রক্ষা করতে হয়। রাতে সবাই যখন ঘুমায়, তখন পেঁচা জেগে থাকে। পেঁচাই সেই ধনসম্পদ পাহারা দেয়।

লক্ষ্মী-পদচিহ্ন সহ সিংহাসনে উপবিষ্ট লক্ষ্মী।

জ্ঞাতব্য নিয়মকানুন

লক্ষ্মীপূজা বৃহস্পতিবার মাত্রেই করা যায়। তার জন্য তিথি নক্ষত্রের বিচার করতে হয় না। তাই যাঁরা প্রবাসী তাদের ভারতীয় বা বাংলাদেশী সময় মিলিয়ে পূজা না করলেও চলবে, যেদেশে যেমন বৃহস্পতিবার পড়বে, সেই দেশে তেমনই করবে। তাছাড়া শাস্ত্রে আছে, প্রবাসে নিয়মং নাস্তি। তাই প্রবাসী হলে রবিবার বা সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও লক্ষ্মীপূজা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে পূজার আগে মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলে নেবেন, মা বৃহস্পতিবার পূজা করতে পারলাম না, আজ পূজা নাও। ভারত বা বাংলাদেশবাসী হলে বৃহস্পতিবারের পূজা বৃহস্পতিবারেই করবেন।

লক্ষ্মীপূজায় ঘণ্টা বাজাতে নেই। লক্ষ্মীকে তুলসীপাতা দিতে নেই। কিন্তু লক্ষ্মীপূজার পর একটি ফুল ও দুটি তুলসীপাতা দিয়ে নারায়ণকে পূজা করতে হয়। লক্ষ্মীপূজা সাধারণত সন্ধ্যাবেলা করে, তবে অনেকে সকালেও করে থাকেন। সকালে করলে সকাল ন-টার মধ্যে করে নেওয়াই ভাল। পূজার পর ব্রতকথা পাঠ করতে হয়। লক্ষ্মীপূজায় লোহা বা স্টিলের বাসনকোসন ব্যবহার করবেন না। লোহা দিয়ে অলক্ষ্মী পূজা হয়। তাই লোহা দেখলে লক্ষ্মী ত্যাগ করে যান।

Read the rest of this entry »

 
8 টি মন্তব্য

Posted by চালু করুন সেপ্টেম্বর 5, 2012 in পুরনো লেখা

 

ট্যাগ সমুহঃ

ভারতের বৃহত্তম দশটি জেলার মধ্যে চারটিই এখন পশ্চিমবঙ্গে

২০১১ সালের জনগণনার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের বৃহত্তম দশটি জেলার মধ্যে চারটি জেলাই পশ্চিমবঙ্গের। এগুলি হল—উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদ। বৃহত্তম দশটি জেলার তালিকায় এদের স্থান যথাক্রমে দ্বিতীয়, ষষ্ঠ, সপ্তম ও নবম।

 

বর্তমানে ভারতের বৃহত্তম জেলা মহারাষ্ট্রের থানে। জনসংখ্যা ১.১১ কোটি। তারপরেই স্থান উত্তর চব্বিশ পরগনার। জনসংখ্যা ১.০১ কোটি। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরু জেলা। জনসংখ্যা ৯৫.৮৯ লক্ষ।

 

চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্রেরই দুটি জেলা—পুনে ও মুম্বই শহরতলি। এই দুটি জেলার জনসংখ্যা যথাক্রমে ৯৪.২৭ ও ৯৩.৩২ লক্ষ।

 

ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থানে আবার পশ্চিমবঙ্গের নাম—দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও বর্ধমান। জনসংখ্যা যথাক্রমে ৮১.৫৩ ও ৭৭.২৪ লক্ষ।

 

অষ্টম স্থানাধিকারী গুজরাতের আমেদাবাদ জেলার জনসংখ্যা ৭২.০৮ লক্ষ।

 

নবম স্থানে আছে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলা। জনসংখ্যা ৭১.০২ লক্ষ।

 

এবং দশম স্থানাধিকারী রাজস্থানের জয়পুর জেলার জনসংখ্যা ৬৬.৬৪ লক্ষ।

 

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের উক্ত চারটি জেলার মধ্যে তিনটিই কিছুদিনের মধ্যে ভেঙে দেওয়া হবে। উত্তর চব্বিশ পরগনা ভেঙে তৈরি হবে বারাসত ও বসিরহাট জেলা। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ভেঙে হবে ডায়মন্ড হারবার ও বারুইপুর জেলা। এবং বর্ধমান ভেঙে হবে বর্ধমান গ্রামীণ ও বর্ধমান শিল্পাঞ্চল জেলা। মুর্শিদাবাদ ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাবও সরকারের কাছে রাখা হয়েছে।

 
6 টি মন্তব্য

Posted by চালু করুন সেপ্টেম্বর 2, 2012 in পুরনো লেখা

 

ট্যাগ সমুহঃ

মাস্টার্স অফ দ্য ইউনিভার্স

মাস্টার্স অফ দ্য ইউনিভার্স ছবির পোস্টার

মাস্টার্স অফ দ্য ইউনিভার্স একটি কল্পবিজ্ঞান-ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্র। ১৯৮৭ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি ওই একই নামের একটি টয় লাইনের ভিত্তিতে নির্মিত হয়। ছবিতে হি-ম্যানের ভূমিকায় অভিনয় করেন ডল্ফ লান্ডগ্রেন এবং স্কেলেটরের ভূমিকায় অভিনয় করেন ফ্র্যাঙ্ক ল্যাঙ্গেলা। ১৯৮৭ সালের ৭ অগস্ট ছবিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পায়। অবশ্য তার আগেই হি-ম্যান টয় লাইন ও কার্টুন ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

গল্প:

মহাবিশ্বের কেন্দ্রস্থলে ইটারনিয়া গ্রহ। স্কেলেটরের (ফ্র্যাঙ্ক ল্যাঙ্গেলা) দলবল ইটারনিয়ার গ্রেস্কাল দুর্গ দখল করে গ্রেস্কালের জাদুকরীকে (ক্রিস্টিনা পিকেলস) বন্দী করেছে। স্কেলেটর গ্রেস্কালের গুপ্তক্ষমতা হস্তগত করার চেষ্টায় আছে। এই ক্ষমতা হাতে এলে দুর্গের সিংহাসন কক্ষে যাওয়ার ‘ছায়াপথের মহাচক্ষু’ নামে একটি পোর্টাল খুলে যাবে এবং ইটারনিয়ার চাঁদ তার সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত হয়ে যাবে।

এদিকে ইটারনিয়ার সেনাবাহিনী যুদ্ধে হেরে ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে। স্কেলেটরের একটি টহলদার দল ইটারনিয়ার সবচেয়ে বড়ো যোদ্ধা তথা স্কেলেটরের মহাশত্রু হি-ম্যান (ডল্ফ লান্ডগ্রেন), প্রবীণ যোদ্ধা ম্যান-অ্যাট-আর্মস (জন সাইফার) ও তাঁর মেয়ে টিলাকে (চেলসি ফিল্ড) আক্রমণ করল। তাদের পরাস্ত করে হি-ম্যান থিনোরিয়ান আবিষ্কর্তা ও চাবিপ্রস্তুতকারক গোইলডোরকে (বিলি বার্টি) উদ্ধার করল। গোইলডোরের থেকে তারা জানতে পারল যে, সে সম্প্রতি ‘কসমিক কি’ নামে এমন একটি চাবি আবিষ্কার করেছে, যার মাধ্যমে মহাবিশ্বের সব জায়গার সব সময়ের সব পোর্টাল খোলা সম্ভব। গ্রেস্কাল দুর্গে ঢোকার জন্য তার থেকে সেই চাবিটা চুরি করে নিয়েছে স্কেলেটর। কিন্তু অন্য একটি চাবি এখনও গোইলডোরের কাছে রয়ে গিয়েছে। গোইলডোর হি-ম্যানের দলবলকে তার আবিষ্কার দেখাচ্ছে, এমন সময় স্কেলেটরের লোকজন গোইলডোরের আস্তানায় হানা দিল। গোইলডোর তার বন্ধুদের গোপন পথে সোজা গ্রেস্কালে নিয়ে হাজির হল।

হি-ম্যানের ভূমিকায় ডল্‌ফ লান্ডগ্রেন

গ্রেস্কালে স্কেলেটর ও তার দলবল হি-ম্যান ও তার বন্ধুদের আক্রমণ করল। বন্ধুদের বাঁচাতে মরিয়া গোইলডোর চাবিটা ব্যবহার করে যে পোর্টালটা পেল সেটার মাধ্যমেই সবাইকে নিয়ে পালিয়ে গেল। তারা এসে পৌঁছালো পৃথিবীতে। তবে পৃথিবীতে পৌঁছেই চাবিটা গেল হারিয়ে। ইটারনিয়ানরা তখন চাবিটা খুঁজতে লাগল। তারা পৃথিবীর যে জায়গাটিতে এসেছিল, তার কাছেই ক্যালিফোর্নিয়ার হুইটিয়ার শহর। সেখানে জুলি উইনস্টোন (কোর্টনি কক্স) ও কেভিন করিগন (রবার্ট ডানকান ম্যাকনেইল) নামে এক কিশোর প্রণয়ীযুগল চাবিটা কুড়িয়ে পেল। অদ্ভুত জিনিস দেখে তারা খেলাচ্ছলে তার বোতামগুলি টিপতে লাগল। এর ফলে স্কেলেটরের সেকন্ড-ইন-কম্যান্ড ইভিল-লিন (মেগ ফর্স্টার) পৃথিবীতে চাবিটার অস্তিত্ব টের পেয়ে গেল। সে পৃথিবীতে তার ভাড়াটে সেনার দল পাঠিয়ে দিল। এই দলে ছিল সাউরোড, ব্লেড ও বিস্টম্যান ; এদের নেতা নিযুক্ত হল কার্গ।

কেভিন ছিল উদীয়মান সংগীতশিল্পী। সে যন্ত্রটাকে জাপানি সিন্থেসাইজার ভেবেছিল। জুলিকে হাইস্কুল জিমে রেখে সে যন্ত্রটা নিয়ে স্থানীয় মিউজিক স্টোরে তার এক বন্ধুর মতামত জানতে গেল। ইতিমধ্যে স্কেলেটরের দলবল জিমে এসে জুলিকে তাড়া করল। শেষে হি-ম্যান তাকে উদ্ধার করল। ভাড়াটে দলটা খালি হাতে গ্রেস্কালে ফিরে গেলে স্কেলেটর খুব রেগে গেল। সাউরোডকে সে খুনই করে ফেলল। তারপর ইভিল-লিনকে নেতৃত্ব দিয়ে আরও বড়ো একটা দল পাঠালো পৃথিবীতে।

Read the rest of this entry »

 
2 টি মন্তব্য

Posted by চালু করুন সেপ্টেম্বর 2, 2012 in পুরনো লেখা