RSS

Monthly Archives: জানুয়ারি 2012

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন (১৮৫৭-১৯৪৭): একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস :: পর্ব ৩

জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড (১৩ এপ্রিল, ১৯১৯)

১৯১৯ সালের ১০ এপ্রিল ড. কিচলু ও ড. সত্যপালকে সত্যাগ্রহ আন্দোলনে জড়িত থাকার দায়ে রাওলাট আইনে গ্রেফতার করা হয়। এর ফলে পাঞ্জাব অশান্ত হয়ে ওঠে। এই গ্রেফতারের বিরুদ্ধে অমৃতসরের মানুষ মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ফলত উন্মত্ত জনতার হাতে পাঁচ জন ইউরোপীয়ের প্রাণহানি ঘটে। ১৩ এপ্রিল অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগ নামে একটি উদ্যানে মহিলা ও শিশুসহ সহস্রাধিক মানুষ সমবেত হয়। সভা শুরু হওয়ার আগেই জেনারেল ও’ডায়ারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ বিনা প্ররোচনায় সভাস্থলে গুলিবর্ষণ করে। উদ্যানটি আবদ্ধ হওয়ায় সমবেত জনতার বের হওয়ার পথ ছিল না। এতে শতাধিক পুরুষ, মহিলা ও শিশু নিহত হয়। ১২০০ জন আহত হয়। এই ঘটনা ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপরই জাতীয় রাজনীতিতে গান্ধীজির উত্থান ঘটে।

জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘স্যার’ উপাধি বর্জন করেন। অনেক বছর পরে ১৯৪০ সালের ১৩ মার্চ পাঞ্জাবের বীর যুবক সর্দার উধম সিং ইংল্যান্ডে গিয়ে লন্ডনের ক্যাক্সটন হলে একটি জনসভায় ও’ডায়ারকে গুলি করে হত্যা করেন। সেই বছরই ৩১ জুলাই ইংল্যান্ডে উধম সিংকে ফাঁসি দেওয়া হয়। ৩৪ বছর পর ১৯৭৪ সালের ১৯ জুলাই শহিদ উধম সিংয়ের দেহাবশেষ ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়।

Read the rest of this entry »

 

ট্যাগ সমুহঃ

বাইবেল-সার :: পথনির্দেশ (পর্ব ১)

মুক্তির পথ

যিশু বললেন, আমিই পথ, আমিই সত্য, আমিই জীবন; আমার মধ্যে দিয়ে না গেলে কেউই পিতার নিকট পৌঁছাতে পারবে না। (জন, ১৪।৬)

প্রভু যিশু খ্রিস্টে বিশ্বাস রাখো, তাইলেই তুমি মুক্তি পাবে, তোমার পরিবার-পরিজনও মুক্ত হবে। (প্রেরিত, ১৬।৩১)

যদি মুখে প্রভু যিশুকে স্বীকার করো, যদি অন্তরে বিশ্বাস করো যে ঈশ্বর তাঁকে মৃত্যুলোক থেকে পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন, তবে মুক্তি পাবেই। (রোমীয়, ১০।৯)

Read the rest of this entry »

 
4 টি মন্তব্য

Posted by চালু করুন জানুয়ারি 4, 2012 in পুরনো লেখা

 

বাফি দ্য ভ্যাম্পায়ার স্লেয়ার :: মরসুম ১ পর্ব ১ :: হেলমাউথে স্বাগত

বাফি দ্য ভ্যাম্পায়ার স্লেয়ার

সানিডেল হাইস্কুল। নিশুতি রাত। ক্লাসঘরের জানলা খুলে ভিতরে ঢুকে এল একটি ছেলে–সেই স্কুলেরই ছাত্র। সঙ্গে একটি মেয়ে। মেয়েটি যেন কিছুটা ভীত। বোঝাই যাচ্ছে, মেয়েটিকে ফুসলিয়ে অন্ধকার রাতে নির্জন স্কুলবাড়ির মধ্যে টেনে এনেছে ছেলেটা। হঠাৎ যেন মেয়েটি কিসের শব্দ শুনে কুঁকড়ে গেল। ছেলেটা ক্লাসঘরের বাইরে উঁকি মেরে দেখল কেউ আছে কিনা। কেউ নেই। মেয়েটির চোখে যেন অবিশ্বাস। সে নিজে দেখল। তারপরই আচমকা মেয়েটার মুখখানি বিকৃত ভ্যাম্পায়ারের আকার নিল। অতর্কিতে সে আক্রমণ করল ছেলেটিকে।

এই মেয়েটিই ডার্লা। দ্য মাস্টার নামে পরিচিত ভ্যাম্পায়ার-প্রভুর দলের এক অন্যতম প্রধান সদস্যা।

Read the rest of this entry »

 
১ টি মন্তব্য

Posted by চালু করুন জানুয়ারি 3, 2012 in পুরনো লেখা

 

কলকাতা মেট্রোর ষোলোটি নতুন রুটের সমীক্ষার কাজ শুরু

সম্প্রসারণ পরিকল্পনার মানচিত্র

ভারতীয় রেলের অন্যতম অধিগৃহীত সংস্থা রাইটস কলকাতা মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ষোলোটি নতুন রুটের সমীক্ষার কাজ শুরু করল। প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ২০১১-১২ সালের রেল বাজেটে এই ষোলোটি রুট সমীক্ষার প্রস্তাব রেখেছিলেন। এই পরিকল্পনা সাফল্যের মুখ দেখলে শুধু যে বৃহত্তর কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিই কলকাতা মেট্রো পরিষেবার আওতায় আসবে, তাই নয় কলকাতা মেট্রো পরিণত হবে ভারতের বৃহত্তম মেট্রো রেল নেটওয়ার্কে।

Read the rest of this entry »

 

ট্যাগ সমুহঃ

ভগিনী নিবেদিতার প্রবন্ধ ‘নব্য হিন্দুধর্ম’

নব্য হিন্দুধর্ম

ভগিনী নিবেদিতা

[১৯১০ সালের ১৯ মার্চ ‘কর্মযোগিন’ পত্রিকায় এই নিবন্ধটি ‘দ্য নিউ হিন্দুইজম’ নামে প্রকাশিত হয়। পরে এটি নিবেদিতার সিভিল আইডিয়াল অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ন্যাশনালিটি বইতে (দ্য কমপ্লিট ওয়ার্কস অফ সিস্টার নিবেদিতা, চতুর্থ খণ্ড, অদ্বৈত আশ্রম প্রকাশিত) অন্তর্ভুক্ত হয়। হিন্দুধর্ম-বিষয়ে নিবেদিতার গভীর অধ্যয়ন, তীক্ষ্ণ অন্তর্দৃষ্টি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার নিদর্শন এই নিবন্ধটি।]

ভগিনী নিবেদিতা

আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতিটি যুগ হিন্দু ধর্মচর্চার ক্ষেত্রে এক একটি নবযুগের সূচনা করে থাকে। যেসব ধ্যানধারণা জন্মলগ্ন থেকে আমাদের ঘিরে আছে, সেগুলি ভূতাত্ত্বিক শিলাস্তরের মতো একটির পর একটি সঞ্চিত; তার প্রতিটি স্তরই নিজ নিজ জন্মকালীন চিহ্নগুলি বহন করছে। বর্তমান কালের জ্বলন্ত সমস্যাগুলিও সেই রকম আমাদের ধর্ম, চিন্তাভাবনা ও রীতিনীতির উপর নিজের সুস্পষ্ট ছাপ রেখে যাচ্ছে। বোঝাই যায়, যা নতুন তা যদি সব বাধা অতিক্রম করে টিকে থাকতে চায়, তবে তাকে পুরনোর অবশেষ দিয়ে নিজেকে গড়তে হবে, বাইরে থেকে আমদানি-করা উপাদানে কাজ হবে না। আর এই জন্যই আমরা বুঝতে পারি না, আমাদের এই যুগ নব্য হিন্দুধর্মের যুগ। এই হিন্দুধর্ম সনাতন হিন্দুধর্মই, শুধু তা একটি নতুন কণ্ঠ আর এক নতুন প্রয়োগবিধি খুঁজে নিয়েছে। বিবেকানন্দের মহতী বাণী শুনলে মনে হয়, এই কথাগুলি তো আমরা ছেলেবেলায় ঠাকুরদা-ঠাকুরমার মুখেই শুনেছি; মনেই হয় না যে, আসলে তিনি হিন্দুধর্ম সম্পর্কে অনভিজ্ঞ একদল ভিনদেশী শ্রোতামণ্ডলীর সামনে এই কথাগুলি উচ্চারণ করেছিলেন। এই যে আমাদের ধর্ম আজ সারা বিশ্বের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ন্যায্য পাওনাটি দাবি করছে;—পৃথিবীর শেষতম প্রান্তটিতে গিয়েও নিজের আত্মাটিকে খুঁজে নিতে চাইছে;—এই ঘটনাই তো বিপ্লব; এমন এক বিপ্লব, যাকে অস্বীকার করার কথা কেউ স্বপ্নেও ভাবতে পারছে না; সারা বিশ্ব স্বীকার করে নিচ্ছে তার অস্তিত্ব। আবার, সত্য বিপ্লব স্বেচ্ছায় থামে না। তা অনেকটা ঢিল মারার পর জলে ওঠে প্রথম তরঙ্গটির মতো, এই তরঙ্গ থেকে একের পর এক তরঙ্গবৃত্তের সৃষ্টি হয়। সেই রকম প্রতিটি বিপ্লবও সংশ্লিষ্ট সমাজে এক ছন্দোময় পরিবর্তনের সূচনা করে। সেই পরিবর্তন অব্যাহত থাকে, আসে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের পরিবর্তন। শেষে যুগান্তকালে পরবর্তী যুগের শক্তি-পরমাণুগুলি তাদের গ্রাস করে যুগ-পরম্পরায় নতুন শক্তিতে উজ্জীবিত করে তোলে।

জাতীয় ভাবের কোনো আন্দোলনের পিছনে একটি দার্শনিক ভাব থাকা চাই। এমন ভাব, যা নতুন বলে মনে হলেও আসলে হবে মানুষের কাছে এখন যা কিছু পরিচিত, তারই এক প্রবল শক্তিসমষ্টি ও তার পুনঃসৃজিত রূপ। সগর্বে সানন্দে এরই মধ্যে জাতি খুঁজে পাবে তার নিজস্ব জাতীয় মেধাটিকে। প্রত্যেকেই জানবে যে, সে ও তার পূর্বপুরুষেরা এই জাতীয় সম্পদের বিনির্মাণ, বিকাশ ও সংরক্ষণের কাজে নিযুক্ত। সকলের মধ্যে আত্মনির্ভরতার রোমাঞ্চ সঞ্চারিত হবে। তাদের পায়ের তলার মাটি হবে শক্ত, তাদের মাথা হবে উঁচু, প্রথমবারের জন্য তারা তাদের অন্তরে আলোড়ন-সৃষ্টিকারী মহাশক্তিটিকে অনুভব করবে।

Read the rest of this entry »

 

ট্যাগ সমুহঃ

ভক্তকবি গোবিন্দদাস কবিরাজ

ব্রজের মধুর লীলা, যা শুনি দরিবে শিলা, রচিলেন কবি বিদ্যাপতি।

তাহা হৈতে নহে ন্যূন, গোবিন্দের কবিত্বগুণ, গোবিন্দ দ্বিতীয় বিদ্যাপতি।।

(কবি বল্লভদাস)

“আধক আধ-আধ দিঠি অঞ্চলে যব ধরি পেঁখলু কান। কত শত কোটি কুসুমশরে জরজর রহত কি জাত পরান।।” (গোবিন্দদাস কবিরাজ)

চৈতন্য-উত্তর বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি গোবিন্দদাস কবিরাজ। ষোড়শ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা বলা চলে একাধারে সাধক, ভক্ত ও রূপদক্ষ এই কবিকেই। যৌবনের প্রান্তসীমায় উপনীত হয়ে বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত হন গোবিন্দদাস। অতঃপর রূপ গোস্বামীর উজ্জ্বলনীলমণি আয়ত্ত্ব করে বৈষ্ণব রসশাস্ত্র অনুসারে রচনা করতে থাকেন রাধাকৃষ্ণ-লীলা ও চৈতন্য-লীলার পদাবলি। তাঁকে বলা হয় বিদ্যাপতির ভাবশিষ্য। যদিও বিদ্যাপতির রচনার সঙ্গে তাঁর রচনার সাদৃশ্য ও বৈপরীত্য দুইই চোখে পড়ে। তাঁর একটি পদ ‘সুন্দরী রাধে আওয়ে বনি’ পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত হয়ে আধুনিক অ-বৈষ্ণব সমাজেও সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

Read the rest of this entry »

 
১ টি মন্তব্য

Posted by চালু করুন জানুয়ারি 1, 2012 in পুরনো লেখা

 

ট্যাগ সমুহঃ

বঙ্গভারতী :: ২০১১ সালের ব্লগ রিভিউ

The WordPress.com stats helper monkeys prepared a 2011 annual report for this blog.

Here’s an excerpt:

A New York City subway train holds 1,200 people. This blog was viewed about 7,800 times in 2011. If it were a NYC subway train, it would take about 7 trips to carry that many people.

Click here to see the complete report.

 
১ টি মন্তব্য

Posted by চালু করুন জানুয়ারি 1, 2012 in ব্লগ

 

ট্যাগ সমুহঃ